অসমাপ্ত_ভালেবাসা ( পর্ব: ১)
জোহা তার হারানো প্রেমিক জোহান চৌধুরীর বিশ্বাসঘাতকতায় ভেঙে পড়ে অতীত স্মৃতিতে ডুবে যায়। সাথে সাথে উঠে আসে তার বাবা-মায়ের ভালোবাসা ও পরিবারের গল্পের শুরু।
কাল সারারাত ছিল স্বপ্নেরও রাত
স্মৃতির আকাশে যেন বহুদিন পর,
মেঘ ভেঙে উঠেছিল পূর্ণিমা রাত।
দূর থেকে ভেসে আসা গানটা যেন বহু দিন আগের পাওয়া ব্যাথা দুঃখ কষ্টগুলোকে জাগিয়ে দিল জোহার মনে । পুরানো ক্ষতটায় যেন নতুন করে লবন মরিচ ঢেলে দিলো কেউ।
দ্রুত জানালার কপাট গুলো লাগিয়ে পর্দা টেনে দিল। আঙুল দিয়ে কান দুটোকে চেপে ধরলো। চোখ দিয়ে ঝরঝর করে পানি ঝরছে।
নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করাটা যেন কঠিন হয়েছে পড়েছে মৃদু চিৎকার দিয়ে উঠল জোহা, প্রশ্ন করলো ফেলে যাওয়া প্রেমিক পুরুষকে কেনো এমন বিষাক্ত সাপ হয়ে ছোবল মারলে জোহান চৌধুরী? কী দোষ ছিলো আমার? কেন কথা দিয়ে কথা রাখলে না? কেনো আমাকে স্বপ্নের চূড়ায় নিয়ে ছুঁড়ে পেলে দিলে? এসব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মতো কেউ নেই। অতীতের স্মৃতিতে ডুব দিল জোহা। জোহার মা বাবা ভালোবেসে বিয়ে করেছিল ।
ভালোবাসলেও দু পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ে হয়েছিল জোহার বাবারা ছিল তিন ভাই দুই বোন। জোহার বাবা জুনায়েদ কবির ছিলেন সবার ছোট।তিনি ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এয়ারফোর্স অফিসার। অন্যদিকে জোহার মা জাহানারা খানম ছিলেন যেমন মেধাবী তেমনি অপরূপ সুন্দরী। তার ভাই জাওয়াদ আহমেদ ।
জাওয়াদ আহমেদ ছিল স্থানীয় কলেজের ইংরেজির প্রফেসর। তার বাবা মুকবুল আহমেদ ছিলেন স্কুল শিক্ষক। জাওয়াদ আহমেদ খুব তাড়াতাড়ি বিয়ে করেন। কারণ তার মা জোবায়েদা খানম খুব অল্প বয়সে মারা যান। তার বাবা মুকবুল আহমেদ ছেলেমেয়ের কথা ভেবে আর বিয়ে করেনি। জোবায়েদা খানম যখন মারা যান তখন জাহানারা খানমের বয়স ছিল মাত্র ১১ বছর। বড় ভাবি মালিহা জাহান ছিলেন জাহানারা খানমের কাছে তার মায়ের প্রতিচ্ছবি। মালিহা জাহানের দুই ছেলে- মিনহাজ আহমেদ এবং মুনায়েম আহমেদ ।
আপনার প্রতিক্রিয়া কী?
পছন্দ
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
মজার
0
রাগান্বিত
0
দুঃখিত
0
চমৎকার
0